ইউনাইটেড সোস্যাল হিউম্যান এডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশন ( ঊষা)
আইনগত অবস্থান ঃ এনজিও বিষয়ক ব্যুরো,রেজিষ্ট্রশন নং-২৭৩৭ তাং ২৩/১০/১২ ইং ।
সমাজসেবা অধিদপ্তর হতে যার নম্বর ( না - ০৩৫৩ ), তাং-২৮শে নভেম্বর ২০০১ইং ।
মাইক্রাক্রডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ) সনদ নং ঃ ০০৭৭৪-০৩৯১৯ -০০৪৩৫, তাং-১৯ই আগস্ট ২০০৯ইং

বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৬ইং

প্রধান কার্যালয়ঃ
ইউনাইটেড সোস্যাল হিউম্যান এডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশন ( ঊষা)
তারাব (চৌধুরী ভিলা ১ম তলা ), ডাকঘরঃ তারাব বাজার, উপজেলা ঃ রূপগঞ্জ, জেলাঃ নারায়নগঞ্জ।
টেলিফোনঃ ০১৭১১৩৫৪৮২১,০১৯৩২২৯৯৫০১ ।
ঊসধরষ - ঁংযধভড়ঁহফধঃরড়হ ০৪৭@ মসধরষ.পড়স.
ঊসধরষ : ঃধলঁষরংষধস১৯৭৭@ুধযড়ড়.পড়স

সভাপতি বক্তব্যঃ

ইউনাইটেড সোস্যাল হিউম্যান এডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশন ( ঊষা) বাংলাদেশের অসংখ্য সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সু-শৃংঙ্খল,গতিশীল, প্রতিষ্ঠান। সংস্থার জন্মলগ্ন হতে গ্রামীন জনগোষ্টির মধ্যে দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত, পশ্চাৎপদ, তাঁদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক উন্নয়ন করে আসছে। অত্র প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন আতœকর্মসংস্থান মানবাধিকার ও সামাজিক অধিকার সচেতন করা সম্ভব হচ্ছে।‘ ঊষা ’ কর্তৃক উপস্থাপিত ২০১৬ইং সনের অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রকাশ করায় আন্তরিক ভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে সংস্থার সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা,কর্মীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

ধন্যবাদান্তে

মোঃ রাশেদ মিয়া

সভাপতি

‘ নির্বাহী পরিচালক এর বক্তব্য’

বাংলাদেশের গ্রামীন দবিদ্র উদ্যোগী ও উদ্যমীদের নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের উদ্ভুদ্ধ করণ,সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করে দৃর্বল হাতকে কম্মীর হাতিয়ারে পরিনত করতে “ ঊষা ” ধারা বাহিক ভাবে কাজ করে চলছে। এই কার্য্যক্রমের ২০১৬ইং বছরের অগ্রগতির প্রতিবেদন সকলের জন্য উপস্থাপন করছি। সেই সঙ্গে সংস্থার সকল কর্মকর্তা,কর্র্মী,সদস্য/সদস্যা শুভানুধায়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

ধন্যবাদান্তে

তাজুল ইসলাম
নির্বাহী পরিচালক

সংস্থার সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
সংস্থার নামঃ ইউনাইটেড সোস্যাল হিউম্যান এডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশন ( ঊষা)

আইনগত অবস্থান ঃ এনজিও বিষয়ক ব্যুরো , রেজিষ্ট্রশন নং-২৭৩৭ তাং ২৩/১০/১২ ইং ।
সমাজসেবা অধিদপ্তর হতে যার নম্বর ( না - ০৩৫৩ ), তাং-২৮শে নভেম্বর ২০০১ইং ।
মাইক্রাক্রডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ) সনদ নং ঃ ০০৭৭৪-০৩৯১৯ -০০৪৩৫, তাং-১৯ই আগস্ট ২০০৯ইং

সংস্থার ধরণঃ দেশীয় বেসরকারী, অরাজনৈতিক, অলাভজনক,সেচ্ছাসেবী, উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। ২০০০ ইং জুন প্রতিষ্ঠানগ্ন হতেই দরিদ্র, অসহায়, পশ্চাৎপদ, সুবিধাবঞ্চিত, নিপীড়িত জনগোষ্টি বিষেষ করে নারী, শিশু, যুবক ও ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কাজ করে তাদের আতœবিশ্বাস, দক্ষতা বৃদ্ধি,অধিকার সাচেতন, দায়ত্বশীল ও জীবন-জীবিকার মান উন্নয়ন করার জন্য নিরলস ভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে।

সংস্থার লক্ষ্যঃ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসাবে গ্রামীন অর্থনীতির উন্নয়ন তথা সমাজের দরিদ্র, অসহায়, পশ্চাৎপদ, সুবিধাবঞ্চিত, নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক উন্নয়ন করা।

সংস্থার উদ্দেশ্য ঃ দারিদ্র জন গোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে দল গঠন করে ক্ষুদ্র সঞ্চয় করার অভ্যাস গড়ে তোলা।
অ আতœকর্মসংস্থান ও আতœনির্ভরশীল করে তোলার জন্য প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করা ।
অ কৃষি উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারী, কৃষকদের উন্নত প্রযুক্তি গত প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করার মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন ও উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
অ শষ্য বহুমূখী করণ, উৎপাদিত ফসল গুদামজাতকরণ, কৃষি জাত দ্রব্য প্রক্রিয়াজাত করণ।
অ উন্নত বীজ উৎপাদন ও ব্যবহার করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
অ বনজ, ফলজ, ঔষধী বৃক্ষ রোপন উদ্ধুদ্ধ করণ এবং পরিবেশ সর্ম্পকে জ্ঞান দান করা, সামাজিক বনায়ন, কৃষি বনায়নে আবদান রাখা।
অগরু মোটাতাজা, গাভী পালন, ছাগল পালন, হাস-মুরগী পালনের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন ও মাংস, দুধ ও, ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি করা এ বিষয় প্রশিক্ষণ দান, ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করা ।
অ ক্ষুদ্র কুটির শিল্প গড়ে তুলতে কারিগরী প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করা ।
অ গ্রামীন ঘর বাড়ী/ বস্তি উন্নয়নসাধন করার লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
অ নিরাপদ ও আর্সেনিকমুক্ত পানি ব্যবহার, স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন উদ্ভুদ্ধকরণ ও উপকরণের সরবরাহ করা।
অ স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা, ও জন্ম নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কর্মসূচী বাস্থবায়নে লক্ষিত জন গোষ্ঠীকে উদ্ধুদ্ধ করা।
অ* নারী অধিকার, পারিবারিক নির্যাতন, যৌতুক, বাল্য বিবাহ, বহুবিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ বিষয় উদ্ধুদ্ধ করা
অ শিশু ঝুকিপূর্ন শ্রম বন্ধ, শিশু নির্যাতন বন্ধ, শিশু অধিকার, শিশু স্বাস্থ্য, কন্যা শিশুর সম-অধিকার বিষয় উদ্ধুদ্ধ করণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
অবিভিন্ন প্রর্র্র্শিক্ষণ সেমিনার, পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়ন, গণসচেতনতা বৃদ্ধি বিভিন্ন সেবা পাবার অধিকার ও উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করণ।
অ অশিক্ষিত সদস্য/ সদস্যা ও এলাকার জনগনের স্বাক্ষর জ্ঞান, অক্ষর জ্ঞান প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বয়স্কশিক্ষা, উপ-আনুষ্টানিক শিক্ষা, প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা ও সেবা প্রদান করা । সামাজিক/অর্থনৈতিক অন্যান্য বিষয় সংস্থার নিজস্ব অর্থ বা অন্য কোন সংস্থার পক্ষে জরীপ/ গবেষণা পরিচালনা করা ।
অ বিভিন্ন প্রকার পোষ্টার, লিফলেট, পুস্তিকা, সাময়িক প্রকাশ ও প্রচার ।
অ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তজাতিক দিবস উৎযাপন, বিভিন্ন বিষয় ভিক্তিক প্রশিক্ষন, সেমিনার, র‌্যালী করার ব্যবস্থা করা
অ দলনেতা, কর্মী/ কর্মকর্তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষন প্রদান করা।
অ সরকারী ও বেসরকারী সাহায্য সংস্থাকে সহায়তা করা ও তাদের সাহায্য গ্রহণ করা।

লক্ষিত জনগোষ্টিঃ দেশের গরীব, পশ্চাৎপদ, নারী, পুরুষ, যুব,শিশু ও প্রতিবন্ধি।

সংস্থার কর্ম এলাকাঃ ঢাকা , নারায়নগঞ্জ নরসিংদী ,মুন্সীগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলার ১৫টি উপজেলার,৭১ট ইউনিয়ন ৪২৮টি গ্রাম।

সংস্থার পাটনার ও মেম্মারশীপ ঃ সি ডি এফ, এন জি ও ফোরাম, আই এল ও (শ্রম মন্ত্রণালয়),বিরি ,বি এ ডি সি, রিব, এন সি সি, ডেমোক্রেচিওয়াচ ।

কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিচিতিঃ
ক্র: নং নাম পদবী শিক্ষাগত যোগ্যতা পেশা
০১ মোঃ রাশেদ মিয়া চেয়ারম্যান বি,এ ব্যবসা
০২ রাবেয়া তাজুদ্দিন ভাইস চেয়ারম্যান এইচ,এস,সি সমাজ কর্মী
০৩ তাজুল ইসলাম মহাসচিব বি,এ সমাজ কর্মী
০৪ মোসাঃ রিনা আমজাত সহঃ মহাসচিব বি,কম গৃিহনী
০৫ ফাতেমা আক্তার রিতা অর্থ সচিব বি,কম গৃিহনী
০৬ মোঃ আঃ আউয়াল ভুঁইয়া
সদস্য এস এস,সি ব্যবসা
০৭ মোঃ মিজান সদস্য এইচ,এস,সি, গৃিহনী

কর্ম এলাকা ঃ

“ ঊষা ” বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড দীর্ঘ ১৫বছর যাবৎ কাজ করে আসছে। ঢাকা জেলায় ডেমরা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ২৫টি গ্রাম। নারায়নগঞ্জ জেলার, রূপগঞ্জ, সিদ্দিরগঞ্জ, আড়াই হাজার ,সোনাগাঁও ও বন্দর উপজেলার ৩৯টি ইউনিয়নে ২১১ টি গ্রাম, নরসিংদী জেলার ৩টি উপজেলার , ময়মনসিংহ জেলার ১টি উপজেলার হতদরিদ্র জনগোষ্টির কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দারিদ্র বিমোচন কর্ম সূচীর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, মৎসজীবি, রিক্রা চালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী,দুস্ত মহিলাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হাস-মুরগী,গরুছাগল পালন, হস্তশিল্প, সেলাই সহ বিভিন্ন কার্যক্রমকে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পরিচালনা করে আসছে।

সংস্থার বর্তমান অবস্থানঃ
কর্ম এলাকা সমিতির সংখ্যা গ্রাহক সংখ্যা ঋন গ্রহীতার সংখ্যা
জেলা
সংখ্যা থানা /উপজেলা
সংখ্যা ইউনিয়ন
সংখ্যা গ্রাম
সংখ্যা শাখা
সংখ্যা পুরুষ
ভিত্তিক মহিলা
ভিত্তিক মোট পুরুষ
মহিলা
মোট পুরুষ
মহিলা
মোট
১২৫৯ ২০৮৬৭ ২২১২৬

- - -
০৫ ১৫ ৭১ ৪২৮ ২০ ৩৪ ১০২৫ ১০৫৯ ১২৫৯ ২০৮৬৭ ২২১২৬
৬০৫ ১৫৩৭৯ ১১০৬৬

সংস্থার প্রধান কর্মসূচীঃ

১. দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী(ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে আত্বনির্ভরশীল কর্ম সংস্থান)।

২. কৃষি উন্নয়নে প্রযুক্তি হস্থান্তর শষ্য বহুমূখী করণ।

৩. পশু ও মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প।

৪. নারী ও শিশু অধিকার বাস্তবায়ন।

৫.আবাসন, স্যানিটেশন ও নিরাপদ আর্সেনিক মুক্ত পানি ব্যবহার।

৬.স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ও পরিবার পরিকল্পনা।

৭. টেকসই পরিবেশ উন্নয়ন, বৃক্ষরোপন, পরিচর্যা ও নার্সারী স্থাপন ।

৮. সু-সাশন, মানবাধিকার ও প্রতিষ্ঠানিক উন্নয়ন কর্মসূচী ।

৯. গৃহায়ন ঋণ কর্মসূচী ।

১০. শিক্ষা ও প্রশিক্ষন কর্মসূচী ।

১১. ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) কর্মসূচী

১২. রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) প্রকল্প-২য় পর্যায়

১৩. দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কর্মসূচী

১৪.প্রকাশনা ।

১৫. অনুশীলন, পর্যবেক্ষন ও প্রতিবেদন প্রস্তত ।

১৬.কার্যক্রম ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ।

১৭.জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন ।
সংস্থার বর্তমান কার্যক্রম ঃ

১. দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী(ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে আত্বনির্ভরশীল কর্ম সংস্থান) ঃ
“ঊষা” অলাভজনক, সেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসাবে দরিদ্র, অসহায়, পশ্চাৎপদ সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্টির সামাজিক,অর্থনৈতিক ও মানবিক উন্ননের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে থাকে।সেই লক্ষ্যে “ঊষা” উদ্ভুদ্ধকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দরিদ্র পশ্চৎপদ মানুষের দূর্বল হাতকে কর্মের হাতিয়ারে পরিনত করে আতœ-নির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী কর্মসূচীর আওতায় ছোট ছোট ব্যবসা কুটির শিল্প ভিত্তিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এ কার্যক্রমে সদস্যদেরকে ঋণ সহায়তা দিয়ে থাকে। ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম সম্পুর্ণ মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন ২০০৬ সনের ৩২ নং আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে থাকে ।

নিম্নে কর্মএলাকা ভিক্তিক তথ্য দেওয়া হলঃ
জেলা শাখার সংখ্যা ২০১৬ সালে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ মন্তব্য
ঢাকা
নারায়নগঞ্জ নরসিংদী ময়মনসিংহ
২৫টি সদস্য টাকা
১৫৯৮৪ ২৪১৫৪৬৫১৩

চিত্রে ঃ ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের ছবি।

জামদানী বুনন ও প্রশিক্ষন কেন্দ্র

২. কৃষি উন্নয়নে প্রযুক্তি হস্থান্তর শষ্য বহুমূখী করণঃ

বাংলাদেশে প্রতি বছর মানূষ বাড়ে জমি কমে । বর্ধিত জন গোষ্টীর ক্ষুধার অন্ন,পুষ্টির যোগান দিতে উন্নত প্রযুক্তি, উন্নত জাত,সু-ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির কোন বিকল্প নাই। উক্ত লক্ষ বাস্তবায়নে কর্মএলাকার ক্ষুদ্র, প্রান্তিক, মাঝারী কৃষকের সংগঠিক করে কর্ম এলাকায় শাকসবজী চাষ বৃদ্ধি, ফল বাগার স্থাপন ও উন্নত ধান উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে । উক্ত কর্মসূচীর মাধ্যমে আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি প্রশিক্ষত কৃষক তৈরী, কাজে যন্ত্রপাতি ব্যবস্থার। মাটির স্বাস্থ্য, পুষ্টি, রক্ষা, স্বাস্থ্য সম্মত ফসল উৎপাদন,অপ্রচলিত ফসল উৎপাদন,মসলা জাতিয় ফসল উৎপাদন পরিবেশ দূষন মুক্ত রাখা খাদ্য নিরাপত্তার সুযোগ বৃদ্ধি, উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা, বাড়ীর পাশ্বে পতিত জমির সর্বচ্চো ব্যবহার বৃদ্ধি। উফশী জাতের ভাল বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ করা এবং জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহার বিষয় উদ্ভুদ্ধ করা হয়।

চিত্রেঃ আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষ।

শষ্য বহুমূখী করণ প্রকল্পে ঋণ বিতরণের তথ্য
জেলা প্রকল্প এলাকা ২০১৬ সালে ঋণ বিতরণ মন্তব্য
সদস্য টাকা
ঢাকা ৩টি উপজেলা ১৭০জন ২৬৫০০০০
নারায়নগঞ্জ ৫ টি উপজেলা ৩৭০ জন ৭১৮০০০০
৫৮০জন ২০১৫০০০০
নরসিংদী ৩টি উপজেলা ৫৪০ জন ৪৪৫০০০০
মোট ১৬৬০জন ৩৪৪৩০০০০

চিত্রেঃ আধুনিক পদ্ধতিতে সব্জি চাষ।

৩. পশু ও মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প।
পশু সম্পদ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গৃহপালিত পশু-পাখির মধ্যে গরু, মহিষ, ছাগল,ভেড়া, হাস-মুরগী, কবুতর প্রধান। দেশের ক্রমবর্ধমান বিপুল জন সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল পশু-সম্পদ। পশু সম্পদের উন্নয়নের জন্য পশু পাখির উন্নত জাতের বংশ বৃদ্ধি, প্রজনন পদ্ধতির বিজ্ঞান ভিক্তিক ব্যবহার বাচ্ছা ও বয়স্ক পশু পাখির পালনের বিজ্ঞান ভিক্তিক জ্ঞান আহরন ও তার বাস্তবায়ন দ্বারা প্রকৃতির শ্রেষ্ট খাদ্য সামগ্রী দুধ, মাংশ ডিম পাওয়া সম্ভব পশু-পাখি সম্পদ থেকে। পশু-পাখি উন্নয়ন ও পালনের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষে আমাদের সদস্য/ সদস্যাদের পশু পাখির সু-সম খাদ্য ব্যবস্থাপনা রোগবালাই প্রতিরোধ,চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, সেবাযতœ , পারিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, উন্নত বাসস্থান ইত্যাদি প্রশিক্ষনের মাধ্যমে জ্ঞান দান করা হয়। অতঃপর গরুমোটাতাজা করণ , গাভী পালন, ছাগল /ভেড়া পালন, হাঁস-মুরগী পালনে কর্মসূচীতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন সাধন করা হয়।
দলের সদস্য/সদস্যাদের উদ্ধুদ্ধ পশু-পাখি পালন করানোর মাধ্যমে দেশের প্রানীজ ও আমিষ এর চাহিদা পূরন দুগ্ধ উৎপাদন করে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় এবং দারিদ্র বিমোচন করা, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভূমিকা রাখা।
প্রকল্পের কাজ গত ২০০১ইং হতে শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের বেশ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। সদস্য/ সদস্যাবৃন্দ প্রশিক্ষন ও আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করে গরু মোটাতাজা , দুগ্ধবতী গাভী পালন, ছাগল পালন ও হাঁস-মুরগী পালন শুরু করেছে।

গাভী পালন ও গরু মোটা তাজা করণের ছবি সংযোজন করা হলঃ

প্রকল্পে ২০১৬ইং সালের তথ্য নিম্নে ছকে প্রদান করা হলঃ
জেলা গরু মোটাতাজা করণ গাভী পালন ছাগল পালন হাঁস-মুরগী পালন প্রশিক্ষন সেবা দান
সদস্য সংখ্যা ঋণের পরিমান সদস্য সংখ্যা ঋণের পরিমান সদস্য সংখ্যা ঋণের পরিমান সদস্য সংখ্যা ঋণের পরিমান সমিতি সদস্য
ঢাকা ১২০ ৩৭৫০০০০ ৭০ ৩২৭০০০০ ৫০ ১০৫০০০ ৭০ ৫১০০০০ ২৫ ৫৮০
নারায়নগঞ্জ ২৪০ ৭৫৫০০০০ ২২০ ৭৮২০০০০ ৭০ ৪০৫০০০ ১২০ ৩২৫০০০০ ৩৫ ৭২০
১৩৫ ৫৫৬০০০০ ২১৫ ৮৩৮০০০০ ৫৫ ৫২০০০০ ৯৫ ১০২০০০০ ৩৫ ৭৪০
নরসিংদী ২৪৫ ৫৬৫৫০০০ ২৮০ ৮০৪৫০০০ ১২০ ৬৪৫০০০ ১২০ ১৫৮০০০ ১২০ ১০২৫
মোট ৭৪০
২২৫১৫০০০
৭৮৫
২৭৫১৫০০০
২৯৫
১৬৭৫০০০
৪০৫
৪৯৩৮০০০
২১৫
৩০৬৫

মৎস্য চাষ কর্মসূচীঃ

বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ। এদেশের অসংখ্য নদী, নালা, খাল,বিল, হাওড়, দিঘি, ডোবা সহ প্রায় ১৩ লক্ষ পুকুর, বন্যায় ডুবে যাওয়া প্রায় ২৮ লক্ষ একর জমিতে মাছের জন্ম হয়। প্রায় ১২ লক্ষ লোক মৎস্য খাতে নিয়োজিত, বাংলাদেশে প্রানীজ আমিষের চাহিদা ৬০ ভাগ যোগান আসে মাছ থেকে। মৎস চাষ একটি লাভ জনক ব্যবসা পরিকল্পিত আধুনিক পদ্ধতিতে মৎস্য চাষে উৎসাহ দেওয়ার জন্য “ঊষা” এ ব্যপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে
ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ জেলার বেশ কয়েকটি শাখা ভাল অবদান রাখতে পারবে।

কর্মএলাকায় ছোট বড় পুকুর ও বন্যায় জল মগ্ন এলাকায় ঘের পদ্ধতিতে মাছের চাষ ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাছের পোনা উৎপাদন কারী হ্যাচারী স্থাপন করা। ইতিমধ্যে সংস্থার সদস্য/ সদস্যা বৃন্দ পুকুরে মাছের চাষ শুরু করছে এবং আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছে। নিম্নে শাখা তথ্য দেওয়া হইলঃ

জেলা ২০১৬ এর মৎস্য চাষ ও ঋণ বিতরণ মন্তব্য
সদস্য সংখ্য পুকুরের সংখ্যা ঋণ বিতরণ
ঢাকা ৬৫ ১৫ ৫,৩০,০০০
নারায়নগঞ্জ ৭৫ ১৮ ২৫৩৫০০০
৯০ ২৫ ৩৫৮০০০০
নরসিংদী ১২০ ৩৫ ৬২৫০০০০
মোট ৩৫০
৯৩
১২,৩৯৫,০০৫

৪. নারী ও শিশু অধিকারঃ

নারীর অধিকারঃ
আমাদের সমাজে নারী ও পুরুষের বৈষম্য প্রকট, বিশেষ করে গ্রাম্য সমাজে এবং কিছু কু-সংস্কার প্রচার থাকায় সমস্যাটিনিরসণে সময় ও শক্ত অবস্থানের প্রয়োজন। শিক্ষার হার বৃদ্ধি নারী শিক্ষা ও সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উক্ত সামস্যা দূরী করণের চেষ্টা করতে হবে।
 প্রত্যেক পরিবারে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করে সমাজিক আচরণ পরিবর্তন করা সম্ভব।
 অসহায় ও নির্যাতিত নারীদের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে ভুমিকা রাখতে পদক্ষেপ গ্রহন
 বাল্য বিবাহ, যৌতুক বন্ধও তালাক নিরঃউৎসাহীত করতে সচেতনাতা বৃদ্ধি করতে পদক্ষেপ গ্রহন।
 নারীর শিক্ষা, কর্ম-সংস্থান, অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং পরিবার ও সমাজে সিদ্ধান্ত গ্রহনে
অংশ গ্রহন বৃদ্ধি করার বিষয় সচেতন করা ।
 কর্মক্ষেত্রে নারীর মুজুরী বৈষম্য দূরীকরণ, নারীর স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও প্রজনন সেবা পাওয়ার অধিকার সচেতন করা।
 নারী পাচার, কাজের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও স্বানির্ভরতা অর্জনে সকল প্রকার ঋণ সহায়তা প্রদান করা। উক্ত বিষয় সমূহে সংস্থার সকল শাখার কর্ম এলাকা বিভিন্ন ভাবে কার্যক্রম চালানো হয়, সংস্থার কর্মএলাকার ৬৭৪৫ জন মহিলা ও পুরুষদের মধ্যে আলেচনা করা হয়।

২০১৬ ইং সালে নারী অধিকার বিষয়ক দলে আলোচনার তথ্য দেওয়া হলঃ

জেলাঃ শাখার সংখ্যা নারীর অধিকার বাল্যও বহু বিবাহ বিবাহ/বিচ্ছেদ/ রেঃ পারিবারিক নির্যাতণ নিরাপদ মাতৃত্ব নারী পাচার ও এইডস নিক্ষেপ
সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা
ঢাকা ২৫টি ১৫ ৩৫০ ২০ ৪০০ ০ ০ ২৫ ৫৫০ ২৫ ৬২০ ০ ০
নারায়নগঞ্জ ৪৫ ১২০০ ৪০ ৮৫০ ১৫ ৩৪০ ৩৫ ৭৮০ ৪০ ১০৫০ ১৫ ৩৪০
নরসিংদী ৩৫ ১০০০ ৩০ ৬৫০ ০ ০ ২৫ ৬২৫ ৩০ ৭৫০ ০ ০
মোট ৯৫
২৫৫০
৯০
১৯০০
১৫
৩৪০
৮৫
১৯৫৫
৯৫
২৪২০
১৫
৩৪০

শিশুর অধিকারঃ ঃ আজকের শিশু আগামী দিনের পরিপূর্ন নাগরিক, বাংলাদেশে ১৪ বছরের কম বয়সী সকলকে শিশু অভিহিত করা হয়। প্রায় ৫ কোটি ৫০ লক্ষ শিশু বাংলাদেশে আছে। ৪০ ভাগ শিশু জন্ম নেয় কম ওজন ও পুষ্টিহীন ভাবে। এই বিপুল পরিমান শিশুর বেশী ভাগই গ্রাম বাংলা ও শহরের দরিদ্র শ্রেনীর। এদের অধিকাংশ শিক্ষা বঞ্চিত। দারিদ্রতার কারণে অসংখ্য শিশু শ্রমসাধ্য ও ঝুকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত। শিশুদের প্রতি দায়ীত্ব পালনে অসচেতনতা, দৃষ্ঠি ভংগীর হীনতা, পারিবারিক পীড়ন, পাচার ইত্যাদি জটিল সমস্যা। সকল সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য রাষ্ট্র, সমাজ, প্রতিষ্ঠান, পরিবার, সকলের দৃষ্ঠি ভংগির পরিবর্তন করতে হবে। আমরা আমাদের কর্ম এলাকার সমস্যার বিরুদ্ধে গনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে উঠান বৈঠক, সমিতিতে আলোচনা, স্কুলে আলোচনা ও অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করা হয়। শিশুর জন্ম নিবন্ধন, মায়ের দুগ্ধপান, শিশু স্বাস্থ্য পরিচর্যা, শিশু শিক্ষা, শিশু স্বাস্থ্য, বিকাশ ও সমাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয় সমিতি/দলে আলোচনা করা হয়

“শিশুর অধিকার”দলে আলোচনার তথ্য দেওয়া হইলঃ

জেলা শাখার সংখ্যা শিশুর জন্ম/মৃত্যু নিবন্ধন মায়ের দুধ পান/ টিকাদান শিশুর পারিবারিক নির্যাতন শিশুর ঝুকিপুর্ণ কাজ শিশুর স্বাস্থ্য ও কন্যা শিশুর সম অধিকার
সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সমিতি সংখ্যা সদস্য সংখ্যা
ঢাকা ২৫টি ৪৫ ১১২৫ ৪০ ৮০০ ২৫ ৫৫০ ২৫ ৬২০ ০ ০
নারায়নগঞ্জ ৪৫ ১২০০ ৪০ ৮৫০ ৩৫ ৭৮০ ৪০ ১০৫০ ১৫ ৩৪০
নরসিংদী ৩৫ ১০০০ ৩০ ৬৫০ ২৫ ৬২৫ ৩০ ৭৫০ ০ ০
মোট ১২৫
৩৩২৫
১১০
২৩০০
৮৫
১৯৫৫
৯৫
২৪২০
১৫
৩৪০

চিত্রে ঃ নারী ও শিশু অধিকার সম্পর্কে দলীয় সভায় আলোচনা করা হয়।
৫. ‘আবাসন স্যানিটেশন, আর্সেনিক মুক্ত নিরাপদ পানির ব্যবহার ও পয়ঃনিস্কাশণ
বাংলাদেশের জনগনের মৌলিক অধিকার বাসস্থান, এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগামী ২০১২ইং সালে কার্যক্রম শুরু করা হবে। আর্সেনিক মুক্ত নিরাপদ পানির ব্যবহার স্বাস্থ্য সম্মত পয়ঃনিস্কাশণ/ স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করা। সরকারী পরিকল্পনা আগামী ২০২০ইং সানের মধ্যে সবার জন্য “স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ” ব্যবহার নিশ্চিত কার্য্যক্রমে “উষা” পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।সাফল্যের সাথে কাজ করার জন্য ঘূর্নায়মান তহবিল গঠন করা।
 গ্রামে স্যানিটরী উপকরণ উৎপাদন কারখানার মাধ্যমে স্বল্প মূল্যে স্যানিটারী ল্যাট্রিন স্থাপনের জন্য ঋণ বিতরণ করা।
লক্ষ্যিত জনগোষ্টিকে উদ্ধুদ্ধ করে নিরাপদ পানির ব্যবহার ও স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটারী স্থাপনের জন্য ঋণ বিতরণ করা
 ১০০ ভাগ নিরাপদ পানি গ্রহণ ও সম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহার আন্দোলন সফল করার জন্য প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
আর্সেনিক মুক্ত নিরাপদ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সকল গ্রুপ সদস্য/ সদস্যাদের নলকুপের পানি উপজেলা জন স্বাস্থ্য অফিস থেকে ৬ মাস অন্তর অন্তর পরীক্ষা করে দেখার জন্য পরামর্শ দেওয়া। স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটরী ল্যাট্রিন স্থাপন করার জন্য সকল কর্মএলাকায় দলের সাপ্তাহিক সভায় আলোচনা করা। স্যানিটেরী ল্যাট্রিন উপকরণ উৎপাদন কারখানা, তারাব ও ভুলতা শাখায় ২টি কারখানা ৩ বছর যাবত উৎপাদন ও বিক্রয় করে আসছে। উক্ত শাখার ১০০ ভাগ সদস্য/ সদস্যাদের স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়।
নিম্নের ছকে তথ্য প্রদান করা হল।

জেলার নাম শাখার নাম ২০১৬ উপকরণ উৎপাদনও বিতরণ, স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন স্থাপণের ঋণ বিতরণ।
কারখানার সংখ্যা উপকরণ উৎপাদন উপকরণ বিতরণ স্বাস্থ্য সম্মত পায়খান স্থাপন মন্তব্য
নারায়নগঞ্জ তারাব ২ ৩০৫০ ২৫৬০ ৩২৫
ভুলতা ৩ ২৮৫০ ২০৫০ ২৮০
মোট ৫
৫৯০০
৪৬১০
৬০৫

চিত্রেঃ ভুলতা শাখার আর্থিক সহায়তায় স্থাপিত আবাসন ও স্যানিটেশণ উপকরণ উৎপাদন কারখানা।

৬. স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা ঃ
‘স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল’ সু-সম খাদ্য,পুষ্টি ব্যয়াম,ঘুম পরিচ্ছন্ন বাসস্থান সহ প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, পুষ্টি জ্ঞান, পরিকল্পিত পরিবার গঠন, জন্ম বিরতি বিভিন্ন বিষয় আলোচনা, পরামর্শ ও গন-সচেতনাতা বৃদ্ধির জন্য প্রচেষ্টা চালানো সংস্থার অন্যতম কাজ। সংক্রামক রোগ ব্যাধি যক্ষা,এইডস সহ মারাত্বক রোগ সম্পর্কে অবহিত করা । চিকিৎসা সুযোগ/সেবা কোথায় পাওয়া যায় সে বিষয় অবহিত করা গর্ভবর্তী মায়ের স্বাস্থ্য পরিচর্য্যা শিশুর বিকাশে মায়ের করণীয়,স্বস্থ্য সম্মত পুষ্টি কর ও পুষ্টিমান খাদ্য ইত্যাদি বিষয় আলোচনা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়। নিরাপদ পানি গ্রহন, নিরাপদ পানির উৎস, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিশেষ করে স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহার নিশ্চিত করণের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয় যার ফলে বিভিন্ন শাখার সকল সমিতির সদস্য/সদস্যা ১০০ ভাগ স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, পুষ্টি জ্ঞান, আস্যেনিক দুষন, নিরাপদ পানিপান, এইচ আই ভি ও যক্ষা, পরিকল্পিত পরিবার গঠন, পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি, গর্ভবর্তী মায়ের যতœ উল্লিখিত সকল বিষয় সংস্থার সকল শাখার সমিতি/দলের সদস্য/সদস্যা সহ পাশ্ববর্তী ১৬৮৫ জন পুরুষ/মহিলাদের অংশ গ্রহণে আলোচনা, উঠান বৈঠক করা হয়।
এইচ আই ভি /এ্ইড্স প্রতিরোধমূলক কর্মসূচী ঃ
বর্তমানে বাংলাদেশে এইচ আইভি /এইডস রোগ দিন দিন বিস্তার লাভ করেছে যার পরিনতি অবধারিত মৃত্যু। এইচ আইভি / এইড্স প্রতিরোধ ও এই ভাইরাস দ্রুত বিস্তার যাতে ঘটতে না পারে সেই লক্ষ্যে ঊষা ফাউন্ডেশন ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। বিশেষ করে ঋষড়ধঃরহম ংবী ড়িৎশবৎ,ুড়ঁঃয মৎড়ঢ়ং, ঞৎধহমবহফবৎ (হিজরা)সড়ংঃ ঠঁষহবৎধনষব মৎড়ঁঢ় . হিসাবে চিহ্নিত করে মাঠ পর্যায়ে জরিপ কার্যক্রম অব্যাহত রাখছে । সকল স্তরে উক্ত কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে সংস্থার পক্ষ থেকে স্বল্প পরিসরে হলেও সচেতনতমুলক পরামর্শ ও সেবা প্রদান করে আসছে ।
‘নিম্নে শাখা ভিক্তিক আলোচনা ও পরামর্শ প্রদানের তথ্য দেওয়া হল’।
জেলা শাখা প্রঃ স্বাস্থ্য সেবা পুষ্টি জ্ঞান এইডস/ যক্ষ্রা পাঃ পাঃ পদ্ধতি গর্ভবতীর যতœ
দলের সংখ্যা উপস্থিত সংখ্যা দলের সংখ্যা উপস্থিত সদস্য দলের সংখ্যা উপস্থিত সদস্য দলের সংখ্যা উপস্থিত সদস্য দলের সংখ্যা উপস্থিত সদস্য
ঢাকা ২৫টি ০৫ ১৫০ ০৫ ১০০ ০৫ ১০০ ০৫ ১২০ ০৫ ১৫০
নারায়নগঞ্জ ৩৫ ৭৫০ ৩৫ ৪৫০ ৩০ ৫৫০ ৪০ ৩৫০ ৪০ ৪০০
নরসিংদী ৩০ ৬০০ ২৫ ৩৫০ ২০ ৪৫০ ৩৫ ৩০০ ৩০ ৩০০
মোট ৭০
১৫০০
৬৫
৯০০
৫৫
১১০০
৮০
৭৭০
৭৫
৮৫০

চিত্রে ঃ স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে দলীয় সভায় আলোচনা করা হয়।

৭. টেকসই পরিবেশ উন্নয়ন, বৃক্ষরোপন, পরিচর্যা ও নার্সারী স্থাপন ঃ

জীবনের জন্য বৃক্ষ, পরিবেশের জন্য বৃক্ষ, সুন্দর আগামীর জন্য বৃক্ষ। গ্রীন হাউজ প্রতিক্রিয়া, পৃথিবীর তাপ মাত্রা বৃদ্ধি কারণে সুনামি, ভুমিকম্প, ঘুর্নিঝড় সিডর, জলোচ্ছাস, অতি বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি,খড়া সহ অন্যান্য বিপর্যয়ের জন্য খাদ্যা উৎপাদন হ্রাস, রোগ বালাই বৃদ্ধি সমুদ্্েরর পৃষ্ঠের উচ্ছতা বৃদ্ধি ইত্যাদি সংকট দেখা দিতে পারে, ১৬ কোটি জনগোষ্টির এদেশ পরিবেশ উন্নয়নের একমাত্র পথ বনায়ন সৃষ্টি করা ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস করা। বনায়ন সৃষ্টি লক্ষ্যে সকল স্থানে বৃক্ষ রোপন, পরিচর্য্যা ও সংরক্ষণ করার পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে আতœকর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক মুক্তি, দারিদ্র বিমোচন ও পুষ্টির অভাব দূরীকরণ সম্ভব। বৃক্ষরোপনকে সফল,গতিময় ও সামাজিক আন্দোলনে পরিনত করতে স্কুল/কলেজ, ছাত্র/ছাত্রী, বেকার যুবক সমাজকে উদ্ভুদ্ধকরে বনজ, ফলজ ও ঔষধী বৃক্ষরোপন করতে হবে। দেশে ইতি মধ্যেই ফলজ বনায়ন ও ঔষধীবৃক্ষ রোপন করে অনেকেই স্বনির্ভর হয়েছে। এখনও ফলজ, ঔষধীবৃক্ষ রোপন করে আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার যতেষ্ট সুযোগ রযেছে। এই কর্যক্রম বাস্তবয়ন করার লক্ষ্যে স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ, সমিতি/দলে আলোচনা ও বৈঠক করা হয়।
বৃক্ষরোপন ও পরিচর্যার তথ্য নিুে ছকে দেওয়া হল।

জেলা শাখার সংখ্যা ২০১৫নার্সারী স্থাপন ও উৎপাদন চাড়া ২০১৫বৃক্ষরোপন ও পরিচর্যা
নার্সারী উৎপাদিত চারা/ কলম ফলজ বনজ ঔষধী
ঢাকা ২৫টি ০ ০ ২০৮০ ২০৫০ ৮৫০
নারায়নগঞ্জ ০২ ২০০০০ ৩৫৮০ ৪০৫০ ১৮৫০
নরসিংদী ০৩ ৩৫০০০ ৪০৫০ ৫০৫০ ২৫৫০
মোট ০৫ ৫৫০০০
৯৭১০
১১১৫০
৫২৫০

চিত্রে ঃ নার্সারী স্থাপন কর্মসূচীর ছবি

৮. সু-সাশন, মানবাধিকার ও প্রতিষ্ঠানিক উন্নয়ন কর্মসূচী ঃ

বন্ধনহীন অবস্থায় এবং সম-মর্যাদা অধিকার নিয়ে সকল মানুষেই জন্ম গ্রহণ করে। যে কোন প্রকার পার্থক্য যথাঃ জাতি,গোত্র, বর্ণ, নারী পুরুষ, ভাষা, ধনী-গরীব, সামাজিক, রাজনৈতিক ধর্ম মানবাধিকার পরিপন্থি । প্রত্যেকের নিজের ও নিজ পরিবারের খাদ্য, বন্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা, নিরাপত্তা,কর্ম-সংস্থানের সুযোগের অধিকার রয়েছে। সেই সঙ্গে প্রত্যেকের সমাজের প্রতি কত্যব্যাদি রয়েছে যেমনঃ অপরের অধিকার ও স্বাধীনতা সমূহের যথার্ত স্বীকৃতি ও শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা এবং একটি গণতান্ত্রিক সমাজে নৈতিকতা, গন-শৃঙ্খলা ও সাধারণ কল্যানের ন্যায্য প্রয়োজন সমূহ মিটানোর উদ্দেশ্য আইনের দ্বারা নিরুপিত হয়।
প্রয়োজনীয় সামাজিক সেবা মূলক কায্যাদির সুযোগ এবং বেকারত্ব,পীড়া, অক্ষমতা, বার্দ্ধক্য, অথবা অনিবার্য্য কারণে জীবন যাপনের অন্যান্য কারণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা মানবাধিকারের অর্ন্তভূক্ত।
এই কর্মসূচীর বাস্তবায়ন সংস্থার সকল শাখার কর্ম এলাকায় বিভিন্ন পেশা ও প্রতিষ্ঠানে সংস্থার সদস্য/সদস্যার ও তাদের পরিবার প্রতিবেশীদের মধ্যে উদ্ভুদ্ধকরণ সভা, বৈঠক, আলোচনা করে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ ও গ্রাম্য শালিস ব্যবস্থায় সু-সাশন ও মানবাধিকার নিয়ে কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ের উপর সংস্থার সমিতি/ দলের সদস্য/সদস্যাদের মধ্যে আলোচনা করা হয়।

৯। গৃহায়ণ ঋণ কর্মসুচী ঃ
বাংলাদেশে দরিদ্র ও হতদরিদ্র লোকদের আবাসন সমস্যা বড়ই প্রকট। নাগরিকদের মৌলিক চাহিদার অন্যতম হলো থাকার বসতবাড়ী। কিন্তু থাকার ঠাঁই সামান্যতম ঘর নাই। হতদরিদ্র মানুষদের এই সমস্যা লাঘবের জন্য বাংলাদেশ সরকার গৃহায়ণ তহবিল প্রতিষ্ঠা করে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এই কার্যক্রম এনজিওদের মাধ্যমে বাস্তাবয়ন করে থাকে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার হতদরিদ্রদের আবাসন সমস্যা লাঘবের জন্য অত্র সংস্থায় পক্ষ থেকে গৃহায়ণ তহবিল কর্তৃপক্ষের নিকট একটি প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হয়। প্রস্তবনা কর্তৃপক্ষ অনুমোদন করেন। নারায়ণগঞ্জ জেলার স্বল্প আয়ের লোকদের আবাসন লাঘবের লক্ষ্যে ২০১২ সাল থেকে এই গৃহ নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়

চিত্রে ঃ গৃহায়ন ঋণ কর্মসূচীর ছবি

১০. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচী ঃ

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানের আলোদান করে, সমাজ থেকে কু-সংস্কার দূর করে মানুষে মানুষে সম্প্রীতি বাড়ায়, সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে করে সমৃদ্ধ।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, কারিগরী শিক্ষা,সামাজিক শিক্ষা,উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা,বয়স্ক শিক্ষা সহ বিভিন্ন প্রকার প্রশিক্ষন এর মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি, চেতনার পরিবর্তন, বুদ্ধির বিকাশ। কর্মসংস্থান সৃষ্টি। আতœবিশ্বাস জন্মোনো, বিভিন্ন প্রকার বিষয় ভিক্তিক জ্ঞানের পরিধি বিস্তার করে। সমাজ, জীবন,পরিবেশ,সকল ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নতুন ধ্যান ধায়না, প্রযুক্তির উদ্ভব হচ্ছে তাই প্রশিক্ষনের কোন বিকল্প নাই, যার কোন শেষ নাই।

সংস্থার সকল সমিতির সাপ্তাহিক সভায় নিদৃষ্ট বিষয় আলোচনা/প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়। যার মাধ্যমে সদস্য/সদস্যাদের জ্ঞান অর্জন,প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন সহ সামাজিক চেতনার পরিবর্তন এবং অধিকার সচেতন ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠে। শাখা ব্যবস্থাপক ও ফিল্ড অফিসারদের প্রশিক্ষন প্রদানের মাধ্যমে কাঙ্খিত জ্ঞান অর্জন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বিধি নিয়ম ও কর্ম পদ্ধতি জ্ঞান লাভের জন্য প্রশিক্ষন দেয়া হয়। সংস্থার ৩টি শাখার বিভিন্ন সমিতির সদস্য/সদস্যাদের নিয়ে আলোচনা করা হয়।
শাখা ভিক্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের তথ্য দেয়া হলোঃ
জেলা শাখার নাম স্বাক্ষর জ্ঞান অক্ষর জ্ঞান ছেলে মেয়েদের উদ্ধদ্ধ করণ প্রশিক্ষন প্রদান দারিদ্র বিমোচন
সমিতি সদস্য সমিতি সদস্য সমিতি সদস্য সমিতি সদস্য
ঢাকা সারুলিয়া ৩০ ৩০০ ০ ০ ২৫ ৪২৫ ২ ৫০

নারায়নগঞ্জ তারাব ৪০ ৪০০ ০ ০ ৪০ ৪০০ ২০ ৩৫০
ভুলতা ৩৫ ৩০০ ০ ০ ৩৫ ৩৫৫ ১২ ২৬০
মোট ১০৫
১০০০


১০০
১১৮০
৩৪
৬৬০

প্রশিক্ষণ গ্রহনের তথ্য দেওয়া হলোঃ
নং কর্মকর্তা কর্মচারীর নাম পদবী প্রশিক্ষণের বিষয় মেয়াদ উদ্যোগতা তারিখ স্থান
১ তাজুল ইসলাম নির্বাহী পরিচালক আর্থিক ব্যবস্থাপনা ২ দিন এম আরএ ২১/১২/১৬ আইসিএবি এর প্রশিক্ষণ কক্ষ, ঢাকা
২ মোঃ সাইফুল ইসলাম পরিচালক
প্রকল্প ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ ২ দিন এম আরএ ২৩/১০/১৬ সি এ ভবন ঢাকা

শাখা ব্যবস্থাপক ও ফিল্ড অফিসার দের প্রশিক্ষণ প্রদানের তথ্য দেওয়া হলোঃ
নং কর্মকর্তা/ কর্মীর সংখ্যা পদবী প্রশিক্ষণের বিষয় মেয়াদ উদ্যোগতা তারিখ স্থান
১ আমজাত হোসেন শাখা ব্যবস্থাপক ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ ৫ দিন “ঊষা” ৯/০৫/১৬ “ঊষা” প্রধান কার্যালয়
২ ফারুক হোসেন শাখা ব্যবস্থাপক ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ ৫ দিন “ঊষা” ৯/০৫/১৬ “ঊষা” প্রধান কার্যালয়
৩ টুটুল চন্দ্র সরকার ফিল্ড অফিসার ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ ৭ দিন “ঊষা” ১৬/০৬/১৬ “ঊষা” প্রধান কার্যালয়
৪ আমেনা আক্তার ফিল্ড অফিসার ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ ৭ দিন “ঊষা” ১৬/০৬/১৬ ‘ “ঊষা” প্রধান কার্যালয়
৫ লাভলী আক্তার ফিল্ড অফিসার ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ ৭ দিন “ঊষা” ১৬/০৬/১৬ ‘ “ঊষা” প্রধান কার্যালয়

১১. ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) কর্মসূচীঃ
বর্তমানে ঊষা সংস্থাটি ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভিজিডি উন্নয়ন কর্মসূচীর উপকারভোগী মহিলাদের সচেতনতা ও আত্মনির্ভরশীল হিসাবে গড়ে তোলার জন্য ভিজিডি কর্মসূচীর ২০১৫-২০১৬ চক্রের ভিজিডি উপকারভোগী সদস্যদের প্রশিক্ষণর প্রদান করে আসছে।

১২. রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) প্রকল্প-২য় পর্যায় ঃ

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানের আলোদান করে, সমাজ থেকে কু-সংস্কার দূর করে মানুষে মানুষে সম্প্রীতি বাড়ায়, সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে করে সমৃদ্ধ। সরকারী পর্যায়ে ঘোষণার প্রেক্ষিতে “শিক্ষা সুযোগ নয় , অধিকার ” এই লক্ষ্যে ঊষা ফাউন্ডেশন শুরু থেকেই বয়স্ক শিক্ষা, বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশু শিক্ষা , প্রতিবদ্ধীদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ঊষা গাজীপুর ও নোয়াখালী জেলায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) প্রকল্প-২য় পর্যায় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

১৩. দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কর্মসূচী
বর্তমানে ঊষা মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

১৪. প্রকাশনা ঃ
কোন উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তব প্রতিফলিত রুপের প্রতিফলন ঘটেনা, যতক্ষন পর্যন্ত তার প্রকাশ না ঘটে। তাই ঊষা ফাউন্ডেশন বুলেটিন, লিফলেট, পোষ্টার, ষ্টীকার ইত্যাদি প্রকাশের মাধ্যমে সকল স্তরের জনগন সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে বিতরণ করে আসছে। প্রকাশনার মাধ্যমে ঊষা ফাউন্ডেশন দেশ - বিদেশে তার কার্যক্রমকে আরোও সুন্দর ভাবে উপস্থাপনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

১৫. অনুশীলন, পর্যবেক্ষন ও প্রতিবেদন প্রস্তত ঃ
যে কোন কার্যক্রম বা কর্মসূচী যতই ছোট হউক না কেন ্অনুশীলন, পর্যবেক্ষন এবং উক্ত অনুশীলন ও পর্যবেক্ষনের উপর নির্ভর করে কর্মসূচীর সফলতা ও প্রসারতা যার আলোকে তৈরী হয় কার্যক্রমের প্রতিবেন।

১৬.কার্যক্রম ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ঃ
সংস্থার গৃহীত কার্যক্রম সুষ্ঠু Ñ পরিচালনার ক্ষেত্রে অনুশীলন পর্যবেক্ষণের ফলাফলের আলোকে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিরুপন করা হয়। সেক্ষেত্রে ঊষা ফাউন্ডেশন ইড়ঃঃঢ়স ঁঢ় ঢ়ষধহহরহম Ñ কে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে দেখে এবং অংশগ্রহণমূলক আলোচনা ও পর্যলোচনার মাধ্যমে কর্মসূচী বাস্তবায়িত হয়। কাঙ্খিত ফলাফলের লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে জবারবি , অহধষুংরং এবং ঊাধষঁধঃরড়হ এর মাধ্যমে ঊষা ফাউন্ডেশন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

১৭.জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন ঃ
বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসে ঊষা ফাউন্ডেশন সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার সাথে কেন্দ্র স্থাপন র‌্যালি , সেমিনার ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করে থাকে।

মাসিক সভা ঃ প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক, কর্মকর্তা ও শাখা ব্যবস্থাপকদের সমন্বয় সভা প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় মাসের ১ম সাপ্তাহে। সভায় গত মাসের অগ্রগতির মূল্যয়ন ও সমস্যা চিহ্নিত করে আগামী মাসের করণীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভার কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্ত সমুহ সকল শাখায় প্রেরণ করা হয়।

নির্বাহী পরিষদের কার্যক্রমঃ “ঊষা” নির্বাহী পরিষদ ২ মাস অন্তর অন্তর যথারীতি সভা করেন। নির্বাহী পরিষদের সভায় সংস্থার কার্য্যক্রম মূল্যায়ন করা হয় এবং সংস্থার বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদন প্রদান করা হয়।

সাধারণ পরিষদঃ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সাধারন সভা নিয়মিত ভাবে অনুষ্ঠিত হয়, এবং সংস্থার বার্ষিক পরিকল্পনা, বাজেট, আয়-ব্যয় সহ কার্যনির্বাহী পরিষদ ও প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রমের পর্যালোচনা ও অনুমোদন করেন।

আর্থিক ব্যবস্থাপনা ঃ সংস্থার সকল টাকা ব্যাংক একাউন্ট/ হিসাবের মাধ্যমে গ্রহণ ও প্রদান করা হয়। প্রতি ২ মাস অন্তর নির্বাহী পরিষদ আয়-ব্যয় অনুমোদন করেন। সকল বিলভাউচার, ক্যাশ বহি, লেজার বহি, অডিট করা হয়। চার্টাঢ একাউন্টস প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমে অডিট সম্পন্ন করে বার্ষিক হিসাব সংরক্ষণ করা হয়।

উপসংহার ঃ আমাদের এই স্বাধীন দেশটি নানা বিধ সমস্যায় জর্জরিত একটি দরিদ্র দেশ। এদেশের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলা করে স্বাবলম্বী করতে হলে আমাদের প্রত্যেককে দেশের কল্যানে আন্তরিক হতে হবে। দেশ হতে দারিদ্রতা দূর করতে আন্তজাতিক সংস্থা, দাতা সংস্থা, করকারী ও বেসরকারী সংস্থার,যৌথ সহযোগীতা ও অংশ গ্রহনের মাধ্যমে সম্ভব। উক্ত লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য “ঊষা” বিভিন্ন উদ্যোগ, বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে সীমিত পর্যায় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিভিন্ন কর্মসূচীর আওতায়/অনুকুলে প্রয়োজনীয় তহবিল পাওয়া গেলে দ্রুত সকল প্রকার কার্যক্রমের পরিসর বৃদ্ধি করে বেশী সংখ্যক সুবিধাভোগীকে কর্মসূচী আওতায় এনে আতœকর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানবিক মূল্য বোধ ও সাচেতন নাগরিক সৃষ্টি ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে জনসংখ্যা হ্রাস, উৎপাদন বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য সচেতন পরিবেশও সামাজিক সচেতন, মূল্যবোধ উন্নয়ন করে দেশে উন্নয়ন অগ্রগতি সাধনে সংস্থার পরিচালনারয় সকল পর্যায় কর্মকর্তা, কর্মীবৃন্দ যথাযথ ভুমিকা সমন্বয় করে এগিয়ে যাওয়া ও সফলতা অর্জন করা সম্ভব।
সমাপ্ত